কাজে দীর্ঘসূত্রিতা বা অলসতা দূর করতে করনীয়



dfy6u7আমাদের প্রায় সবার মধ্যেই কম বেশি অলসতা কাজ করে। এটি নেতিবাচক অভ্যাস হওয়ায় এর খারাপ প্রভাব আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে প্রায় সকল ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়ে।  অলসতা থেকে মুক্তি পেতে চাই একটি সুষ্ট পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতে হবে।  কাজে  দীর্ঘসূত্রিতা বা অলসতা দুর করতে আপনি যে কাজগুলো এখনই শুরু করতে পারেন

একটি সাধারন পরিকল্পনা তৈরি করুন

নিজের মুখ্য উদ্দেশ্য কে সামনে রেখে কিভাবে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছাবেন সেটির একটি সাধারন পরিকল্পনা তৈরি করুন। সেক্ষেত্রে যে বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখা জরুরী তা হলো লক্ষ্যের দিকে যাবার প্রধান উপায় সমুহ, নিজের অবস্থান, অনুপ্রেরণার উৎস, লক্ষ্য অর্জনে আপনার কি ধরনের দক্ষতা রয়েছে এবং আরোও কতটুকু অর্জন করতে চাইছেন।

তবে লক্ষ্য অর্জিত না হলে আপনি কি ধরনের হতাশায় ডুবতে পারেন পরিকল্পনা নেয়ার সময় সে বিষয়টিও মাথায় রাখুন।

বাস্তবতার আলোকে শুভ সূচনা করুন

একটি সুষ্ঠ পরিকল্পনা প্রান পায় যখন সেটি একটি বাস্তবধর্মী সুন্দর সুচনা হয়ে থাকে। ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করুন, এগিয়ে যাওয়ার সময় যে কোন ধরনের জটিলতায় পড়লে সেটি ডায়েরীতে লিখে রাখুন। অদম্য আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে চলুন। কোন অবস্থাতেই থেমে যাবেন না।

প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে সময়ের হিসাব রাখুনdweh

পরিকল্পনার আলোকে আপনার কাজটি কত সময়ে শেষ করছেন তার একটি সুষ্ঠ হিসাব রাখা চাই। এটি আপনাকে আপনার অভিষ্ট লক্ষ্যে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

সময়ের প্রতি যত্নবান হউন

যে কোন কাজ নিদিষ্ট সময়ে শুরু করতে সচেষ্ট হতে হবে। সময়ে হেরফের হলেও আপনার তালিকায় থাকা কাজ করে যান। মনে রাখুন, প্রাথমিক অবস্থায় আপনি সময়ের ছকে বন্দী হতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে কোন অবস্থাতেই হতাশ না হয়ে কাজ করার অভ্যাস করে ফেলুন।

কর্মময় একটি পরিবেশ গড়ে তুলুন

নিজের লক্ষ্য অর্জনে একটি কর্মময় পরিবেশ আপনাকেই তৈরি করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে নিজের স্বাদ ও সাধ্যেরে প্রতি লক্ষ্য রাখুন।

অন্যের অবস্থানের দিকে তাকিয়ে সময় নষ্ট করবেন না

মনে রাখুন, আপনার অবস্থান শুধুই আপনার, নিজ দায়িত্বে একে কর্ম উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে । তাই অন্যের দিকে তাকিয়ে নিজের অবস্থান কে অবজ্ঞা করে সময় নষ্ট ও হতাশার দিকে এগিয়ে যাবেন না।

নিজের ছোট ছোট কাজ শেষে সাফল্যের দিকে চোখ রাখুন

পরিকল্পনায় থাকা প্রতিটি কাজ শেষে সফলতায় যেমন আপনাকে আনন্দিত করবে ঠিক তেমনি ভাবে ব্যর্থতাগুলো আপনাকে হতাশ করবে। তাই হতাশ না হয়ে অভিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যান।

erui89y
নিচের বিষয় গুলো অকপটে স্বীকার করুন

  • শেখার অভিজ্ঞতার ভুল সূচনা এবং তার পরের ভুল গুলো স্বীকার করুন। এটি সাফলতার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং অভিজ্ঞতাকে প্রকৃত অর্থে সম্মৃদ্ধ করুন।
  • বাধা বিপত্তি এবং পালায়নবাদী মনের অস্তিত্ব অস্বীকার না করে বরং এগুলোর কাছে পরাজিত না হতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হউন।
  • লক্ষ্য অর্জনের পথ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন বলে মনে হলে নিজের হতাশার অস্তিত্বকে স্বীকার করুন এবং লক্ষ্য অর্জনের জন্য আপনি যে কিছূ করেছেন সেটাও স্বীকার করুন।

সর্বশেষে, আলস্য যদি আপনার অভ্যাস হয়ে থাকে তাহলে তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা করুন এবং সেখান থেকে আবার শুরু করুন।

প্রথম পদক্ষেপ থেকেই শুরু হোক প্রতিটি যাত্রা।

আব্দুল্লাহ নোমান

Facebook Comments
It's only fair to share...Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
0