৫২ দিন পর শুক্রবার বিকালে খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলন



imagesডেস্ক রিপোর্টঃ শুক্রবার বিকালে দেশের চলমান পরিস্থিতি এবং বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন। বিকাল ৪টায় তার গুলশানের ‍রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হবে বলে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের চলমান পরিস্থিতি এবং বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের অবস্থান ব্যাখ্যা করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এক সংবাদ-সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন।
দশম সংসদের বর্ষপূর্তির দিন গত ৫ জানুয়ারি রাজধানীতে সমাবেশ করতে না পেরে তার কার্যালয়ে ‘অবরুদ্ধ’ থেকেই লাগাতার অবরোধের ডাক দেন খালেদা জিয়া। ৩ জানুয়ারি রাত থেকেই ওই কার্যালয়ে রয়েছেন তিনি। এরপর দফায় দফায় দেশজুড়ে হরতালও ডেকেছে ২০ দলীয় জোট। টানা এই অবরোধ-হরতালে শতাধিক দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষের প্রানহানী হয়েছে।
 
একই বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করেছে অভিযোগ করে এ অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেছেন । বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির অন্যতম যুগ্ম-মহাসচিব, সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির না করা এবং আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে আটক করার কথা অস্বীকৃতির ঘটনায় আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং ক্ষুব্ধ। আমি এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
 
বিবৃতিতে খালেদা জিয়া আরও বলেন, দলের মুখপাত্র হিসেবে গ্রেপ্তার এড়িয়ে দল ও জোটের পক্ষ থেকে বক্তব্য, বিবৃতি দেওয়া এবং কর্মসূচি ঘোষণার কারণে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের লোকজন তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে গত মঙ্গলবার রাতের আঁধারে দরজা ভেঙে সালাহ উদ্দিন আহমেদকে চোখ বেঁধে ও হাতকড়া পরিয়ে তুলে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের সেই ক্রোধেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
 

সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগ গ্রহণে পুলিশের অস্বীকৃতির বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানান বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘এখন দেশে আইন যে স্বাভাবিক গতিতে চলছে না, এটা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। জাতীয় পর্যায়ের একজন রাজনীতিকের ক্ষেত্রে যেখানে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সেখানে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা যে কতখানি অনিশ্চিত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Facebook Comments
It's only fair to share...Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
0