উত্তর মেরুতে রাশিয়ার নৌ-সামরিক মহড়া



 

09রাশিয়ার উত্তর মেরুর এন্টার্কটিকায় সামরিক মহড়া শেষ হয়েছে। এতে প্রায় ১০০টি জঙ্গী বিমান, ১৫ টি পারমাণবিক সাবমেরিন, অত্যাধুনিক ফ্রিগেটসহ আরও শতাধিক আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত নৌযান অংশগ্রহণ করে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার নৌবাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়ার পর পর রাশিয়ার নৌবাহিনী নৌপথেও তাদের সামরিক সক্ষমতা জানান দিতে এই মহড়ার আয়োজন করে। তবে রাশিয়ার এই সামরিক মহড়াকে এন্টার্কটিকার পার্শ্ববর্তী দেশ নরওয়ের চলমান ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামরিক মহড়ার পাল্টা জবাব হিসেবে দেখছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। আর এই মহড়াকে সমুদ্র সীমানায় উস্কানি হিসাবে দেখছে নরওয়ে। রাশিয়া এই মহড়াকে তাদের নিয়মিত সামরিক মহড়ার একটি অংশ বিশেষ হিসেবে অবিহিত করেছেন নৌবাহিনীর এক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা।

এদিকে রাশিয়ার এই মহড়াকে সীমান্তে উস্কানিমুলক হিসেবে বর্ণনা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের এক প্রতিনিধি বলেন, “রাশিয়া তাদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন যুগে ফিরে যেতে চায়। কিন্তু রাশিয়ার এই স্বপ্ন কোনো দিনও পূরণ হবে না। বিশ্ব তাদের এই ইচ্ছাকে কোনোদিনও মেনে নিবে না। তাছাড়া ১৯৫৯ এর “এন্টার্টিকা চুক্তি” অনুযায়ী কোনো দেশ এককভাবে কোনো সমরাস্ত্র মহড়া করতে পারবে না। তাই এটি চুক্তি পরিপন্থী”

ন্যাটোর মহাসচিব জেন্স স্টেলটেনবার্গ রাশিয়ার এই মহড়াকে এই অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির এক পাঁয়তারা বলে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য রাশিয়ার সাথে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধ যখন চরমে ঠিক তখন রাশিয়া এই নৌ-সামরিক মহড়া চালায়। এই মহড়ায় রাশিয়ার প্রায় ৫ হাজার সৈন্য অংশগ্রহণ করেছে।

Facebook Comments
It's only fair to share...Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
0