আওয়ামী লীগ সব সময়ই ভোটের ফল মেনে নিয়ে এগিয়ে যায়ঃ প্রধানমন্ত্রী



ীগদহ0দব9গুবতদরভোট দেওয়ার পর সিটি কলেজ কেন্দ্রে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি, জনগণ যে রায় দেবে সেটাই আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য। অতীতেও আমরা ভোটের ফল মেনে নিয়েছি। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সব সময়ই ভোটের ফল মেনে নিয়ে এগিয়ে যায়।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আজ মঙ্গলবার সকালে একদম শুরুতেই

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ভোট শুরুর আগেই রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সিটি কলেজ কেন্দ্রে দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী ২৬৫ নম্বর ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর ঢাকা দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদ তাকে স্বাগত জানান। ওই কেন্দ্রের ২ নম্বর বুথে (মহিলা) ভোট দেন শেখ হাসিনা। ভোট দিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ভোট আমার সাংবিধানিক অধিকার, নাগরিক অধিকার। আজকে আমি ভোট দিতে পারলাম। “এই কারণে আমার ভালো লেগেছে। কারণ আমার ভোট আমি দিতে পারলাম। আমার নাগরিক অধিকার আমি প্রয়োগ করতে পারলাম। আমার যে জনপ্রতিনিধি হবে, আমি তাকে ভোট দিচ্ছি।”

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে আসা বিএনপির নেতারা সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকায় এই ভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে।

মেয়র পদে ‘ইলিশ মাছ’ প্রতীকে ভোট দিয়েছেন জানিয়ে দল সমর্থিত প্রার্থীদের জয়ের আশা প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

“আমি আশা করি, এই নির্বাচনে আমাদের সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হবে। আমি যাকে ভোট দিয়েছি..।”

ভোট দেওয়ার পর কেন্দ্রের বাইরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দল সমর্থিত প্রার্থীদের প্রতীক ঘুড়ি, পানপাতা ও ইলিশ মাছে ভোট দিয়েছেন তিনি।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা মোকাবেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যা ব্যবস্থা নেওয়ার তাই নেবে। জনগণের জানমাল রক্ষায় যা যা করণীয় আমরা তাই করব।”

নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, আওয়ামী লীগ মেনে নেবে জানিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের

ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব। জনগণ যে রায় দেবে সেটাই মেনে নেব। আমরা মেনে নেইনি? আমরা তো অনেকগুলো সিটি কর্পোরেশন পাইনি। আমরা মেনে নেইনি?”
শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক এবং স্থানীয় সাংসদ ফজলে নূর তাপস উপস্থিত ছিলেন।

খবরঃ ফোকাস বাংলা

Facebook Comments
It's only fair to share...Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
0