নেপালে ভুমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৯০০ ছাড়িয়ে



nepal_earthquakeনেপালে এক শক্তিশালী ভুমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে। সর্বশেষ খবরে বলা হয়েছে নিহতের সংখ্যা ১৯০০ ছাড়িয়ে গেছে, আহত এবং নিখোঁজ হয়েছেন বহু মানুষ। ভেঙে পড়া অসংখ্য ভবনের নিচে এখনো চাপা পড়ে আছেন অনেকে।

রিখটার স্কেলে প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৯ এবং “আফটার শক” নামে পরিচিত পরবর্তী ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৬। এ ছাড়া, আরো কয়েকটি আফটার শক আঘাত হেনেছে। শক্তিশালী এ ভূমিকম্পের উৎস নেপালের পোখরা থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরের লামজুংয়ে। ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্পন হয়েছে।

নেপালের তথ্যমন্ত্রঅ মীনেন্দ্র রিজ্জাল বলেছেন, এই বিপর্যয় মোকাবিলার অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও দক্ষতা আছে এমন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাহায্য তার দেশের দরকার।

নেপালে এর পুলিশ বলছে, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। নেপালে এর রাজধানী কাঠমান্ডু ও পোখারার মাঝখানে লামজুং এলাকায় ছিল ভুমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল। নেপাল ছাড়াও বাংলাদেশ, সমগ্র উত্তর ভারত ও পাকিস্তান জুড়ে এই ভূকম্পন অনুভুত হয়।

ভূমিকম্পে নেপালে এর রাজধানী কাঠমান্ডুর বিখ্যাত দারাহারা  বা ভীমসেন টাওয়ার ধ্বংস হয়ে গেছে। ১৮৩২ সালে নির্মিত নয় তলা এ টাওয়ারটির উচ্চতা ছিল ৬১.৮৮ মিটার। বিধ্বস্ত টাওয়ারে অন্তত ৫০ জন আটকা পড়েছে। এছারা রাজধানীর ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

হিমালয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। হিমালয় অভিযানে যাওয়া পর্বতারোহীদের একটি ‘বেস ক্যাম্পের একাংশ বরফ ধসে চাপা পড়েছে। ভূমিকম্পের কারণেই জমাট বাঁধা এই বরফ ধস শুরু হয়।

Facebook Comments
It's only fair to share...Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
0