নির্বাচন নস্যাৎ করার জন্য বিএনপির লাশ ফেলার পরিকল্পনা ছিলোঃ প্রধানমন্ত্রী



পপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি হত্যার মাধ্যমে লাশ ফেলে দিয়ে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যেতে চেয়েছিলো। কিন্তু তারা সে সুযোগ পায়নি। কারণ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ছিলো সক্রিয় ও সতর্ক। এ ছাড়া জনগণও ছিলো সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ব্যাপারে সতর্ক।

প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উসৈ সিং, পার্বত্য চট্টগ্রাম বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের সভাপতি শ্রীমৎ প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো ও বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি শ্রীমৎ শুদ্ধানন্দ মহাথেরো অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সজল কুমার তালুকদার স্বাগত বক্তৃতা করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিএনপি যা করেছিলো সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তারা একই কাজ করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে বিএনপি সবকিছুই করেছে। কিন্তু তারা মাঠে ছিলো না।

তিনি বলেন, তারা মাঠে ছিলো না, তাদের কোনো প্রতিনিধি ছিলো না। তাদের কোনো এজেন্ট ছিলো না। নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার মাত্র তিন ঘন্টা পর হঠাৎ করে তারা নির্বাচন বয়কট করেছে। ঈর্ষা, ঘৃণা, প্রতিশোধ কখনো জনগণের কল্যাণ বয়ে আনে না। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে যে, বিএনপি-জামায়াত বিগত ৫ জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে এ ধরনের অপরাধ করে চলেছে।

এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করা, অগ্নিসংযোগ, সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করার কাজে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি বলেন, অগ্নিসংযোগ ও নাশকতামূলক কর্মকান্ডে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খবরঃ বাসসের

Facebook Comments
It's only fair to share...Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
0