বাংলাদেশে আসছে ই-লাইব্রেরী



the-e-library-ybdএ.সি মান্নান।।

বাংলাদেশে ই-লাইব্রেরী স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে “মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন”। “দ্যা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস্ ফাউন্ডেশন”  মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এর প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সাথে ব্রিটিশ কাউন্সিল এর প্রতিনিধি টমাস ডোহারটি ও ম্যাটে এক বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে ই-লাইব্রেরী স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা।

ই-লাইব্রেরির প্রথম ধাপেই থাকবে ডিজিটাল ক্যাটালগ। যারা লাইব্রেরিতে বই খুঁজতে যান, তারা ক্যাটালগ কার্ড এর মাধ্যমে বই খুজে বের করতে পারবেন। বইয়ের নাম, লেখক, প্রকাশক, বছর ও অন্যান্য তথ্য থাকবে ডিজিটাল কার্ডে। এর ফলে খুব সহজেই সঠিক বইটি খুঁজে পাওয়া যাবে ক্যাটালগ কার্ডের মাধ্যমে।

ই-লাইব্রেরি শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৮৮ সালে কর্পোরেশন ফর ন্যাশনাল রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ্‌সের একটি প্রতিবেদনে। ধারণাটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে ১৯৯৪ সালের দিকে যখন নাসা ই-লাইব্রেরি শব্দটি ব্যবহার করে এবং তাদের নিজস্ব তথ্যগুলো স্ক্যান করে কম্পিউটারে ঢুকিয়ে ডিজিটাল লাইব্রেরি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।

তথ্যপ্রযুক্তি লাইব্রেরির মূল কাঠামোর সাথে সংযুক্ত হয়ে লাইব্রেরি গুলোতে একটি নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে, যার নাম e-library বা ই-পাঠাগার। সাধারণ পাঠাগারের সাথে তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধাগুলোকে ব্যবহার করে লাইব্রেরির কাজগুলো আরো দ্রুত ও সহয করা হয়, যাতে করে যেকোনো জায়গা থেকে লাইব্রেরির বই পড়ার সুবিধা ভোগ করা যায়।

Facebook Comments
It's only fair to share...Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
0