বাংলাদেশী খাদ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ছে বিশ্ববাজারে



৩৪ট৬য৩৪৬ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ববাজারে ক্রমেই চাহিদা বাড়ছে বাংলাদেশের প্রক্রিয়াকৃত খাদ্যপণ্যের।

তবে এ খাতের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে জ্বালানি ব্যবহারে বিশেষ সুবিধা ও ব্যাংক ঋণে সুদের হার কমানোর দাবি এ খাতের ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি রপ্তানি বাড়াতে প্রণোদনা বাড়ানোর দাবি করছেন তারা।

এদিকে, নতুন পণ্য তৈরির আহ্বান জানিয়ে, বাজার ধরে রাখতে প্রণোদনা বাড়ানোসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি। খাদ্যাভাসের পরিবর্তন আর উৎপাদিত কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজনের সাথে অটুট স্বাদে ভোক্তার কাছে পৌঁছে দিতে দেশে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য শিল্পের যাত্রা শুরু।

১৯৯৮ সালে আনারসের জুস রপ্তানির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের বিশ্ববাজারে আসে বাংলাদেশ। এরপর যোগ হয় টমেটো ক্যাচাপ, আমের জুস-বার।  আর বর্তমানে অভ্যন্তরীণ চাহিদার বড় একটা অংশ পূরণের পাশাপাশি বিভিন্ন ফলের জুস, ড্রিংকস, মসলা, সস, কেক, চানাচুরসহ ৩০টির বেশি শিল্প প্রতিষ্ঠানের তৈরি প্রায় ৭০টি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১শ’র বেশির দেশে। দুই অংকের প্রবৃদ্ধি নিয়ে এগিয়ে চলা এই শিল্পখাত গত পাঁচ অর্থবছরের চারবারই ছাড়িয়ে গেছে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা। আর ভোক্তা চাহিদা থাকায় প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের তালিকায় যোগ হচ্ছে নতুন নতুন পণ্য। তবে, রপ্তানিতে দ্রুত এগিয়ে গেলেও, প্রতিযোগী দেশগুলোর মতো নিম্ন সুদের হার ও প্রণোদনা সুবিধা পান না এ খাতের ব্যবসায়ীরা। তাই অবকাঠামো উন্নয়নে গ্যাস, কয়লা, বিদ্যুৎ ব্যবহারে পৃথক কোটার দাবি তাদের।

মুক্তবাজার অর্থনীতির বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের উদ্যোক্তাদের জন্য সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস ইপিবির।  এখাতের পণ্য তৈরির কাঁচামাল দেশিয় হওয়ায় প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এক দশকের মধ্যে রপ্তানিতে পোশাক শিল্পের কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Facebook Comments
It's only fair to share...Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
0